গ্যাস ও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান, ত্রিফলা খান
✦ ত্রিফলা ✦
আয়ুর্বেদের গোল্ডেন হার্বাল ফর্মুলা
✦ ত্রিফলা কী?
আমলকি, হরতকি ও বয়রা — এই তিনটি ফলের মিশ্রণই ত্রিফলা নামে পরিচিত।
“ত্রি” অর্থ তিন, “ফলা” অর্থ ফল। যুগ যুগ ধরে আয়ুর্বেদে এর ব্যবহার চলে আসছে। ছোট থেকে বুড়ো সকলেই এটি খেতে পারেন। এটি কেবল ওষুধ নয়, বরং দৈনন্দিন সুস্থতার একটি প্রাকৃতিক উপায়।
প্রাকৃতিক উপায়
- দোকান থেকে সরাসরি আমলকি, হরতকি, বয়রা কিনে নিন।
- বাড়িতে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন অথবা খরলে থেতো করে রাখুন।
- বিশেষ টিপস: নিজের বানানো গুঁড়ো অধিক শক্তিশালী ও সতেজ থাকে।
বাজারজাত প্যাকেট
- ডাবরের ত্রিফলা চূর্ণ
- বৈদ্যনাথের ত্রিফলা চূর্ণ
- যে কোনো স্বনামধন্য কোম্পানির খাঁটি ত্রিফলা ব্যবহার করতে পারেন।
পরামর্শ
- সবচেয়ে ভালো ফল পেতে দোকান থেকে সরাসরি তিন ফল কিনে গুঁড়ো করে নিন।
- এতে খাঁটিত্ব ও গুণাগুণ বজায় থাকে।
✦ দ্বৈত সেবন প্রক্রিয়া (দিন-রাত) ✦
রাতে খাবার গ্রহণের পর এক চা-চামচ ত্রিফলা চূর্ণ (প্রায় ৩ গ্রাম) কুসুম গরম পানি দিয়ে খান। এটি রাতভর আপনার পেটে জমে থাকা গ্যাস ও অম্লতা শুষে নেবে এবং পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কার করবে। এটি ব্যবহার করে যদি পেট খারাপ হয়, তবে ত্রিফলার পরিমান অর্ধেক করে নেবেন এবং পরিমান টা পরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করবেন।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে: এক কাচের গ্লাসে এক চা-চামচ ত্রিফলা চূর্ণ নিন, তার সাথে পানি দিয়ে মিশিয়ে ঢেকে রাখুন। অথবা গোটা আমলকি, হরতকি, বয়রা সমপরিমাণে থেতো করে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, তামার পাত্রে ভিজিয়ে রাখলে আরো ভালো হয়।
সকালে খালি পেটে সেই ভেজানো পানি ছেঁকে পান করুন। ১৫ দিন নিয়মিত এই অভ্যাস চালিয়ে যান। দেখবেন পেট যেমন পরিষ্কার থাকবে, ত্বকেও আসবে উজ্জ্বলতা।
⚠️ সতর্কতা: গর্ভবতী মা ও দীর্ঘমেয়াদী রোগে (ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ) ভুক্ত রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করবেন না। অতিরিক্ত সেবনে পেট খারাপের সম্ভাবনা থাকে।